|
ads

🕰️
  • নবজাতকসহ নারীর মরদেহ : ময়নাতদন্তে মিলল শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ

     


     


    নিজস্বপ্রতিবেদকঃ

     

    টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লৌহজং নদীর তীর থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী নবজাতকের মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি।

     

     

    সোমবার(২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কি ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামে লৌহজং নদীর পাড়ে মাটিতে পুঁতে রাখা বস্তাবন্দী অবস্থায় নবজাতকসহ এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এদিকে মরদেহ উদ্ধারের ১০ দিন হয়ে গেলেও এখনো তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় লাশ দুটি অজ্ঞাত হিসেবে মির্জাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

     

     

     

     

    মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করা হয়,টাঙ্গাইলের ওই গর্ভবর্তী নারীকে ধর্ষণের পর পেটের বাচ্চাসহ হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে পুঁতে রাখা হয়েছিল। এনিয়ে টাঙ্গাইলে আলোড়ন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আবার কিছু কিছু পোস্টে বলা হয়,ধর্ষণের এক পর্যায়ে গর্ভপাতে শিশু ভূমিষ্ঠ হলে তাকেসহ মাকে খুন করা হয়।

     

     

     

     

     

     

    টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আলমগীর হোসেন বলেন,ময়নাতদন্তে ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।মরদেহ পচে যাওয়ায় ধর্ষণের আলামত নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।ওই নারীর আনুমানিক ৩০ বছর হবে।সোমবার নারী নবজাতকের ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে প্রতিবেদন জমা

     দেওয়া হয়েছে।

     

     

     

    মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন,ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েছি।ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি।মরদেহ উদ্ধারের পরদিন স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

     

    তিনি বলেন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বিষয়টি প্রচার হয়েছে,অপপ্রচার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে।ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরলসভাবে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।