Showing posts with label ফিচার. Show all posts
Showing posts with label ফিচার. Show all posts

Friday, October 3, 2025

 বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমের জীবন যেন এক কষ্টের সুতােয় গাথা

বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমের জীবন যেন এক কষ্টের সুতােয় গাথা




নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


৩০ বছরের পুরোনো ১৬ হাত মাটির ঘরে বসবাস ৭৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমের।সেই পুরোনো মাটির ঘর ভেঙ্গে গেছে।ভাঙাচোরা মাটির ঘরে পুরোনো টিনের ছিদ্র দিয়ে ঘরিয়ে পরে পানি।চার বছর আগে মাটির ঘরের এক পাশের দেয়ালও গেছে ধসে।

সেই ভাঙাচোরা মাটির ঘরে আশ্রয় নিয়ে কাটছে তার মানবেতর জীবন-যাপন।ফিরোজা বেগমের জীবন যেন এক কষ্টের সুতােয় গাথা।সেই ভাঙা মাটির ঘরেই কুরআন তেলাওয়াত আর নামাজ পড়েন।রাতে জায়নামাজের ওপর বসানো একটি পুরোনো চৌকিতেই ঘুমাতে হয় তাঁকে।


 ঝড়-বৃষ্টি একসাথে হলে ওই ঘরেই থাকেন তিনি।ভাঙ্গা মাটির ঘর চারিদিকে হেলে পড়েছে।যে কোন মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। ২০ বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর নতুন ঘর তৈরি করতে পারেননি টাকার অভাবে।তিন ছেলের আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়।ছেলেরাও দিন আনে দিন খাই।বসতবিটা ছাড়া নেই জমিজমা। 


ফিরোজা বেগম টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আবু তালেব মিয়ার স্ত্রী।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,১৬ হাত ভাঙ্গাচোরা মাটির ঘরের এক কোণে চৌকিতেই নামাজ পড়েন।সেখানেই রাত হলে শুয়ে থাকেন।মাটির ঘরে একপাশের দেয়াল ভেঙে গেছে। সেই ভেঙে যাওয়া দেয়ালে বেড়া দিয়েছেন বস্তা দিয়ে। মরিচাধরা পুরোনো টিন, টিনে অসংখ্য ছিদ্র।নেই বিদ্যুতের লাইন।মাটির দেয়ালে রয়েছে অসংখ্য ফাটল। নেই কোন শুয়ার খাট,টিউবওয়েল, টয়লেট।ফিরোজা বেগমের তিন ছে‌লে শহীদ ভ্যানচালক, বুলবুল চা বি‌ক্রেতা, জব্বার প্রবাসী হলেও  কোনো মতে চলছে তাদের সংসার।


বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম বলেন,আমার স্বামী ২০ বছর আগে মারা গেছে।আমার স্বামী ৩০ বছর আগে মাটির ঘর দিয়েছিল।আমি সেই মাটির ঘরেই থাকি।এই মাটির ঘরে থেকেই আমার স্বামী মারা গেছে।ইচ্ছে করছিলাম এই ঘরে থেকেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করব।এখন তা হলো না।আমার মাটির ঘর ভেঙ্গে গেছে।চার বছর ধরে আমার ঘর ভেঙ্গে গেছে।এই ভাঙ্গা ঘরেই নামাজ ও কুরআন পড়ি।


তিনি বলেন,আমি অসহায় মানুষ।আমার ছেলেদের জমি নাই।তাদেরও চলতে কষ্ট হয়।কাজ করলে তাদের সংসার চলে। কাজ না করলে তাদের সংসার চলে না।আমার যখন যা মিলে তখন তাদের সাথে খাই।

ছেলেদের বলতে পারি না,আমাকে ঘর দিয়ে দাও।আমার ছেলেদের দেখলেই মন ভরে ওঠে।অন্য মানুষের বাড়িতে গোসল করতে যাই।মানুষ কত কথা বলে।আমার নাই টিউবওয়েল, টয়লেট। পৃথিবীর বুকে বেঁচে আছি কত কষ্ট।স্বামী ছাড়া কত কষ্টে আমার জীবন যাচ্ছে চলে।আমি কারও কাছে বলতে পারি না।যখন বৃষ্টি হয় তখন এই ঘরে থাকতে পারি না।তখন ছেলে ও ছেলের বউরা ঘরে ডেকে নিয়ে যায়।


ফিরোজা বেগমের বড় ছেলের বউ নার্গিস  আক্তার বলেন,আমার শাশুড়ীর ঘর নাই।খুবই কষ্ট করে।আমরাও তো ঘর দিয়ে দিতে পারি না।আমাদের অবস্থাও খুব খারাপ।শাশুড়ির তিন ছেলেদের অবস্থায় খারাপ।আমার স্বামী ও দুই দেবর আছে তারাও ঘর করে দিতে পারে না।


যে ঘর আছে সেই ঘরে থাকতে পারে না।ঘর দিয়ে পানি পড়ে।এই ঘরেই নামাজ পড়ে ও থাকে।ঝড়-বৃষ্টি হলে আমরা ডেকে নেয়।এভাবেই আমরা শাশুড়িকে রাখি। কি করব?আমরা তো ঘর করে দিতে পারি না।

স্থানীয় বাসিন্দা হারুন মিয়া বলেন,আমি জন্মের পর থেকেই দেখছি, তিনি এই মাটির ঘরে থাকেন।এই ঘরের বয়স ৩০ বছর হয়েছে।চার বছর আগে এই ঘরের দেয়াল ভেঙ্গে গেছে।যখন বৃষ্টি হয় তখন ঘরের মধ্যে পানি পড়ে। বৃদ্ধার খাওয়ার কষ্ট হয়।বৃদ্ধার তিন ছেলে আছে তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না।তারাও আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। তারাও ঘর করে দিতে পারছে না।



স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন,ফিরোজা বেগম অত্যন্ত অসহায় একজন মানুষ।বৃদ্ধার স্বামীর রেখে যাওয়া মাটির ঘর দিয়ে গেছেন।সেই মাটির ঘর একেবারে ভেঙ্গে গেছে।এই ঘরে থাকাটা ঝুঁকিপূর্ণ।থাকার মতো পরিবেশ এই ঘরে নেয়।তিনি অসহায় মানুষ।তার ছেলেরা চা বিক্রি করে খাই।তার ছেলেরা তাকে ঘর করে দিতে পারছে না।আমি এলাকার বিত্তবান লোকদের বলব ওনার জন্য এগিয়ে আসার এবং বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি।


তিনি বলেন,তিনি ৭০ বছরের বৃদ্ধা মহিলা।তিনি এই ঘরে কুরআন তেলাওয়াত করেন।ওনার ইচ্ছা সুন্দর ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করে বাকি জীবনটা শেষ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, ১২ হাত ঘর,টয়লেট, মটার করে দিতে হলে এক লাখ টাকার  মতো খরচ হবে।ইউএনও স্যার টিন,খাদ্য সামগ্রী, নগদ অর্থ দিয়েছেন।এছাড়াও আমরাও নগদ অর্থ দিয়েছে।তা দিয়ে ঘর করা সম্ভব না।


উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন,বৃদ্ধাকে বয়স্ক ভাতা করে দেয়া হয়েছে।এছাড়াও ইউএনও স্যার টিন, শুকনো খাবার ও আর্থিক সহযোগিতা করছেন।
তিনি বলেন,সমাজের গন্যমান্য ও বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি না এগিয়ে আসে সরকারি সহায়তা দিয়ে স্বাবলম্বী করা সম্ভব না।যতটুকু করার সমর্থ ছিল ইউএনও স্যার করেছে।আমাদের ভাতা তো সে পাই।


উল্লেখ্য, বিভিন্ন গন্যমাধ্যমে ফিরোজা বেগমকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে গত সোমবার (২৯ সে‌প্টেম্বর) বিকেলে বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমের বা‌ড়িতে উপ‌জেলার কচুয়া গ্রা‌মের পূর্বপাড়া এলাকায় ঘর তৈ‌রির টিন, বিভিন্ন ধরনের খাদ‌্যসামগ্রী, নগদ অর্থ নি‌য়ে হা‌জির হন (ইউএ‌নও) মো. আবদুল্লাহ আল রনী।

Tuesday, May 20, 2025

এবারও হাট কাঁপাতে আসছে ‘মানিক’, কলা খেলেই হয় শান্ত

এবারও হাট কাঁপাতে আসছে ‘মানিক’, কলা খেলেই হয় শান্ত






টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী ইউনিয়নের ভেঙ্গুলিয়া গ্রামের হামিদা আক্তার বিশাল আকৃতির ষাঁড় (মানিক) গরুসহ তার খামারে ৮টি গরু রয়েছে। গত ৫ বছর ধরে মানিক নামের গরুটি বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজছেন হামিদা। 


গত কয়েকবছর ধরে ঈদের হাট কাঁপানোর বিশাল আকৃতির ষাঁড় গরু কলা খেলেই থাকেন শান্ত। মানিকের বয়স ৯ বছর। ঈদুল আযহার সময় ঘনিয়ে আসলেই মানিকের নামটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কয়েক বছর ধরেই সরগরম হয়ে উঠে। এ বছরও পবিত্র ঈদুল আযহার হাট কাঁপানোর জন্য প্রস্তুত বিশাল আকৃতির দেহ নিয়ে মানিক।  




হামিদা আক্তারের মা বছরখানেক আগে মারা গেছে। বৃদ্ধা বাবা এবং ছোট বোনকে নিয়ে হামিদের সংসার। তারা তিন বোন মেজো বোনটি বিয়ে হয়েছে। 


প্রতিদিন ষাঁড়টির জন্য খরচ মেটাতে তার হিমশিম খেতে হচ্ছে । ষাঁড় গরুটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন। দূর দূরান্ত থেকে ফোন কল আসছে হামিদার কাছে।কত টাকা হলে বিক্রি করবেন তা নিয়ে ফোনে চলে আলোচনা। ষাঁড় গরুটির ওজন প্রায় ২ হাজার কেজির উপরে ।


গত  ঈদুল আযহার সময় হামিদা তার মানিককে ১৫ লক্ষ টাকা বিক্রি করেছিলেন। যেকোনো কারণবশত বিক্রি করেনি হামিদা। এবছর মানিকের দাম হাকাচ্ছি  প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। তবে আলোচনার সাপেক্ষে মানিকের দাম কম বেশি হতে পারে বলে জানা যায় । 


এদিকে মানিককে গোসল করাতে হয় সাবান এবং শ্যাম্পু দিয়ে। সময়মতো খাবার দিতে হয়। খাবার না দিলেই তার পাগলামকি শুরু করে দেন। তার খাবারের মধ্য রয়েছে বুট এবং ভুসি। এছাড়াও রাতের খাবার তার জন্য রাখা হয়েছে কলা। 



স্থানীয় রাসেল মিয়া বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে কোরবানির হাট কাঁপাচ্ছেন প্রায় ৬০ মন ওজনের মানিক। কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় ষাঁড়টি (মানিক) বিক্রি করতে পারছে না হামিদা আক্তার। 


এদিকে চাকুরির পিছনে না ঘুরে নারী উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এই বিশাল দেহী ওজনের ষাঁড় গরুটি লালন পালন করছেন হামিদা। এই বিশাল দেহী ষাঁড় গরুটির সাথে রয়েছে আরো সাতটি গরু। এরমধ্যে বিশাল ষাঁড় গরুটি বিক্রির পাশাপাশি আরো দুটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন তিনি। এছাড়াও পালে রয়েছে দুটি বকনা গরুসহ দুটি দুধের গরু। 


ভেঙ্গুলিয়া গ্রামের রফিক সালাম শফিক জানান, এই গ্রামে একজন নারী উদ্যোক্তা হামিদা আক্তার তিনি কয়েকটি গরু লালন পালন করছেন। এরমধ্যে বিশাল আকৃতির একটি ষাঁড় নাম রাখা হয়েছে মানিক। সেই ষাঁড়টি বেশ কয়েক বছর ধরে বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজছেন। উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারছে না। তারা জানান উপযুক্ত দামে বিক্রি করতে পারলে হামিদা আক্তার একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারত। তার স্বপ্ন এই ষাঁড়টি বিক্রি করে একটি খামার গড়ে তুলবেন। তাই সরকারের কাছে আবেদন নিবেদন  জানাই যাতে করে হামিদার গরু বিক্রিতে সার্বিক সহযোগিতাসহ সফল উদ্যোক্ত হওয়ার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাই। 


এবিষয়ে হামিদা আক্তার বলেন, রাতে যখন ঘুমিয়ে পড়ি ঘুম থেকে জেগে উঠে তাকে বারবার দেখতে হয়। তিনি কিভাবে ঘুমাচ্ছেন। কিভাবে শুয়ে রয়েছেন, কিভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার উপরে ফ্যান চলছে কিনা, নিচে তার ময়লা জমেছে কিনা, সে ব্যাপারে সব সময়ের জন্য সজাগ থাকতে হয়। 


এই মানিককে নিয়ে যেভাবে পরিশ্রম করছি হয়তো একদিন এই মানিক কে বিক্রি করে দেব। সেদিন মনে পড়বে এই মানিকের কথা। মানিককে যেভাবে আদর স্নেহ দিয়ে লালন পালন করছি সেটি ভোলার মত নয়। মানিকের খাওয়া দাওয়া একটু কষ্ট হলেই অস্থির হয়ে ওঠেন। আর তখনই তার সামনে ধরি কলা। তিনি কলা পেলে শান্ত হয়ে যান। 


হামিদা আক্তার আরো বলেন, বিশাল আকৃতির ষাঁড় (মানিকের) খাবার ও লালন পালনের পিছনে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়। এই খরচ জোটাতে তার পক্ষে হিমশিম খেতে হয়। 


ভালো মুনাফার আশায় মানিক রতনসহ কয়েকটি গরু লালন পালন করেন। এরমধ্যে মানিকের জুটি ছিল রতনসহ আরো কয়েকটি সেগুলো বিক্রি করেছি। কিন্তু মানিককে বিক্রি করতে পারেনি। 



Thursday, April 24, 2025

আল্ট্রা স্লিম ডিজাইনের ভিভো ভি৫০ লাইটের প্রি-অর্ডার শুরু

আল্ট্রা স্লিম ডিজাইনের ভিভো ভি৫০ লাইটের প্রি-অর্ডার শুরু




শুরু হয়ে গেছে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভোর নতুন ফোন ভিভো ভি৫০ লাইটের প্রি-অর্ডার। আল্ট্রা স্লিম ডিজাইন, শক্তিশালী ব্লু-ভোল্ট ব্যাটারি, টেকসই গঠন আর প্রফেশনাল ক্যামেরা – সব মিলিয়ে স্মার্টফোন জগতে এক নতুন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করছে ভিভো। ২৩ এপ্রিলের মাঝে ফোনটি প্রি-অর্ডার করলেই পাওয়া যাচ্ছে নিশ্চিত উপহার।


ব্লু-ভোল্ট ব্যাটারিতে এক চার্জেই সারাদিন


নতুন ভিভো ভি৫০ লাইট ব্যবহারে হবে চার্জ নিয়ে চিন্তা কম, কাজের সময় পাওয়া যাবে বেশি। কেননা এতে থাকছে ৬৫০০ এমএএইচ এর শক্তিশালী ব্লু-ভোল্ট ব্যাটারি, যা একবার চার্জ দিলেই চলবে সারাদিন। ফোনটিতে থাকছে ৯০ ওয়াটের ফ্ল্যাশচার্জিং এবং রিভার্স চার্জিংয়ের সুবিধা। তাই থাকবে না পাওয়ার-ব্যাংক বহন করার ঝামেলা। ৫ বছর পরেও ফোনটিতে থাকবে ৮০% ব্যাটারি সক্ষমতা, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে নিশ্চিত করে দীর্ঘস্থায়ী নির্ভরযোগ্যতা।


আল্ট্রা স্লিম ডিজাইনের সাথে রঙেও নান্দনিকতা 


শক্তিশালী ৬৫০০ এমএএইচ ব্লু-ভোল্ট ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও আল্ট্রা স্লিম ডিজাইন বজায় রাখতে সক্ষম ভিভো ভি৫০ লাইট। মাত্র ৭.৭৯ মিমি পুরুত্বের ফোনটির ওজন মাত্র ১৯৬ গ্রাম। ফলে এটি দেখতেও স্টাইলিশ, ব্যবহারেও আরামদায়ক। দুটি ট্রেন্ডি কালারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। একটি হচ্ছে মরুভূমির গোধূলির আলো থেকে অনুপ্রাণিত – টাইটেনিয়াম গোল্ড এবং অন্যটি হচ্ছে ফ্যান্টম ব্ল্যাক। 


চোখের যত্নে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে 


একটি চমৎকার ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্সের জন্য পার্ফেক্টভাবে তৈরী করা হয়েছে ফোনটির ডিসপ্লে। ৬.৭৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ এমোলেড ডিসপ্লে এবং পাঞ্চ হোল ডিজাইনের কারণে ফোনটি দেখতে আরও সুন্দর। হাই-গ্লস ফিনিশড মেটাল ফ্রেমের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে অত্যন্ত সরু বেজেল- এর ৬.৭৭ ইঞ্চির এফএইচডি এবং ২.৫ডি পো-লেড স্ক্রিন। চোখের সুরক্ষা দিতে আছে এসজিএস লো লাইট সার্টিফিকেশন আর ব্লু লাইট ফিল্টার। আলট্রা ক্লিয়ার সানলাইট ডিসপ্লে সহ আছে ১২০ হার্জ আল্ট্রা ভিশন রিফ্রেশ রেট। তাই কোনো অস্বস্তি ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত।  


ইনহ্যান্সড পারফরম্যান্স, এক্সট্রা ডিউরেবিলিটি


ভিভো ভি৫০ লাইটে প্রসেসর হিসেবে থাকছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫, যা দিবে প্রতিদিনের ব্যবহারে স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স। টেকসই হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে এতে আছে মিলিটারি-গ্রেড সুরক্ষা আর ৫-স্টার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স, যা ফোনটিকে করে আরও টেকসই। ধুলোবালি ও পানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রয়েছে আইপি৬৫ সার্টিফিকেশন।


দুর্দান্ত ক্যামেরা এক্সপেরিয়েন্স 


ভিভো ভি৫০ লাইটে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল সনি আইএমএক্স ৮৮২ সেন্সর এবং অরা লাইট, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলো ব্যালেন্স করে ছবিগুলোকে আরও প্রফেশনাল ও বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলে। ৩২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরায় সেলফি হবে প্রাণবন্ত এবং দ্বিগুণ জুম সুবিধার সাথে পাওয়া যাবে নিখুঁত ছবি। 


ভিভো ভি৫০ লাইট ফোনটি প্রি-অর্ডার করলেই আপনি পেয়ে যাবেন ৩,৫০০ টাকা মূল্যের একটি এক্সক্লুসিভ গিফট প্যাক, যেখানে থাকছে রিরো এল১৮ টিডব্লিউএস, রিরো প্রিমিয়াম গ্লাস এবং একটি পোস্টকার্ড। এছাড়াও প্রি-অর্ডারকারী গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ১৮০ দিনের জন্য ফ্রি ডিসপ্লে রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা।


আকর্ষণীয় নতুন এ ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে দুটি ভিন্ন স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে-৮ জিবি+৮ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম সহ ১২৮ জিবি স্টোরেজের মূল্য ২৯,৯৯৯ টাকা এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ৩২,৯৯৯ টাকা। ভিভোর অফিসিয়াল ই-স্টোর অথবা যেকোনো অথরাইজড শপে স্মার্টফোনটির প্রি-অর্ডার করতে পারবেন ক্রেতারা।