খোলা ট্রাক-পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ
নিজস্বপ্রতিবেদকঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা সাতদিনের ছুটি আজ থেকে শুরু হয়েছে।ঈদের সময় এলেই সবার মন ছুটে যায় শেকড়ের টানে গ্রামের বাড়ির দিকে।ঈদের আনন্দ পরিবার ও আত্নীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে করে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট। স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন। তবে প্রচণ্ড রোদে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে কেউ কেউ খোলা ট্রাক-পিকআপে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা যায়,যাত্রীরা যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, বিভিন্ন সড়কের লোকাল বাস, লেগুনায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলেই বেশি দেখা গেছে।যাত্রীরা পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার। ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।
আশেকপুর বাইপাস এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী বুলবুল মোল্লা বলেন,চন্দ্রা থেকে আশেকপুর বাইপাস এলাকায় আসলাম ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে।
সিরাজগঞ্জে যাব ভাড়া বেশি যাচ্ছে।মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আছে। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।তারপরও ভাড়া বেশি চাচ্ছে।সিরাজগঞ্জের বেলকুচি যাইতে ১০০থেকে ১৫০ টাকা
লাগে।এখন ভাড়া চাচ্ছে ৪০০ টাকা।অনেকেই দেখতেছি খোলা ট্রাক-পিকআপে করে আসতেছে।
আরেক যাত্রী আজিজুল হাকিম বলেন,আশেকপুর বাইপাসে প্রায় এক ঘন্টার ধরে বসে আছি।এখানে গাড়ি থামছে না।আমি সিরাজগঞ্জের যাব।যে গাড়ি থামছে ভাড়া বেশি চাচ্ছে।অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-
পিকআপে করে বাড়ি যাচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন,মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোনো যানজট নেই। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে।ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।যানজট যাতে না হয় সেই জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।চালক ও যাত্রীরা নিবিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।
