ত্রয়োদশ তথাকথিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ অংশগ্রহণ করছে না।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
অবাধ
নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশায় '৯৯ সালে সখিপুর-বাসাইল উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জন্ম। আমরা একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনমুখী দল। আমরা সব সময় যেকোন
অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।
গত তিন-তিনবার
জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠভাবে না হয়ে পাতানো
রূপ নেয়ায় দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে গত জুলাই অভ্যুত্থানের
মধ্য দিয়ে বিগত সরকারের পতন ঘটায়। সমগ্র দেশবাসীর প্রত্যাশা একটি অবাধ নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। কিন্তু অন্তবর্তী সরকার সার্বিকভাবে সবাইকে নিয়ে একটি নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি করতে পারেনি বরং বিগত সরকারের আমলে যা হয়েছে তারচাইতে
খারাপভাবে দেশ চলছে।
মানুষের জান মাল সম্পদের কোন নিরাপত্তা নেই, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি। খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধারের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ তো নেয়নিই বরং
নির্বাচনের সময় সরকারীভাবে অস্ত্রের অনুমোদন দিয়ে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করা হচ্ছে। যেখানে সকলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন খুবই প্রয়োজন, সেখানে এখনো অনেককে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। এমতাবস্থায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন
আশা করা যায় না।
সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন উৎসাহ ও উদ্দীপনাও দেখা
যাচ্ছে না। তাই গত ২৪ শে
ডিসেম্বর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং বিশেষ বর্ধিত সভায় বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নির্বাচন থেকে দূরে বা বাইরে থাকার
সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।
অতএব,
ত্রয়োদশ তথাকথিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ অংশগ্রহণ করছে না।
