Monday, September 7, 2026

প্রেমিকাকে রেখে গভীর রাতে চলে গেলেন চীনা যুবক দং লিয়াং


 



প্রেমিকা আশিতার (২৫) সঙ্গে দেখা করতে চীন থেকে টাঙ্গাইলের সখীপুরে আসা দং লিয়াং নামের সেই চীনা যুবক গভীর রাতেই সখীপুর ছেড়েছেন। ভিসার মেয়াদ কম থাকায় দুই পরিবার ও প্রেমিকা আশিতার সঙ্গে কথা বলেই তিনি বাংলাদেশে অবস্থিত চীন দূতাবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আশিতা সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের প্রবাসী আজমত আলীর মেয়ে।



স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সখীপুর উপজেলার বাগবেড় গ্রামে প্রেমিকা আশিতার বাড়িতে আসেন দং লিয়াং। সেখানে আশিতা ও তার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পর রাত ১টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে ঢাকায় অবস্থিত চীন দূতাবাসে পৌঁছে দেওয়া হয়।

আশিতার প্রতিবেশী আলিফ বলেন, দং লিয়াংয়ের ভিসার মেয়াদ কম থাকায় তিনি দ্রুত ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে দুই পরিবার ও আশিতার সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি সখীপুর ছাড়েন।

দং লিয়াং জানিয়েছেন, ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে খুব শিগগিরই আবার বাংলাদেশে আসবেন তিনি। এরপর ধর্মীয় রীতি মেনে আশিতাকে বিয়ে করার ইচ্ছা রয়েছে তার।

এর আগে, WorldTalks অ্যাপের মাধ্যমে সখীপুরের বাগবেড় গ্রামের আশিতার সঙ্গে দং লিয়াংয়ের পরিচয় হয়। প্রায় তিন মাসের পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের টানেই চীন থেকে সখীপুরে ছুটে এসেছিলেন ডং লিয়াং।

দং লিয়াং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আশিতাকে বিয়ে করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর আশিতাকে চীনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

স্থানীয়রা আরও জানান, আপাতত ডং লিয়াং চীন দূতাবাসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সখীপুর ছেড়েছেন। ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর পর ফের বাংলাদেশে এসে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার কথা রয়েছে তার।


সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, স্থানীয়রা আমাকে জানায় চীনা এক যুবক আমাদের এলাকায় এসেছে। পরে মেয়েটি যাতে প্রতারণার শিকার না হয়। সে জন্য স্থানীয় লোকজন রাত ১২টার দিকে ওই যুবককে চীনা দূতাবাসে পাঠিয়ে দেন। ওই যুবক কে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে স্থানীয়রা।


শেয়ার করুন