Showing posts with label বাসাইল. Show all posts
Showing posts with label বাসাইল. Show all posts

Monday, September 7, 2026

বাসাইলে ৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

বাসাইলে ৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

 



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

টাঙ্গাইলের বাসাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সুজন মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

রোববার ( সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে বাসাইল থানাধীন কাউলজানি ইউনিয়নের মান্দারজানি উত্তরপাড়া মসজিদের সামনে পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে বাসাইল থানা পুলিশ।

 

গ্রেপ্তার সুজন মিয়া (৪০) বাসাইল উপজেলার কাউলজানি বোর্ড বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি . করিমের ছেলে।

 

পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বাসাইল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। সময় সুজন মিয়ার কাছ থেকে পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

ঘটনায় গ্রেপ্তার সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় নিয়মিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সোমবার ( সেপ্টেম্বর ২০২৬) তাকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির

Sunday, September 6, 2026

এবার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হলেন বাসাইলের কৃতি সন্তান ডা. আমিনুল ইসলাম

এবার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হলেন বাসাইলের কৃতি সন্তান ডা. আমিনুল ইসলাম

 



নিজস্ব প্রতিবেদক:


টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান ডা. আমিনুল ইসলাম সবুজ কার্ডিওলজি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পরীক্ষায় সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে নতুন পরিচয় অর্জন করেছেন।


ডা. আমিনুল ইসলাম সবুজ কলিয়া মধ্যপাড়া এলাকার মরহুম চাঁন মামুদ মিয়া ও মরহুমা আমেনা আক্তারের সুযোগ্য সন্তান। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক। মেডিসিন, কার্ডিওলজি, মেডিকেল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও রোগীসেবায় তাঁর বিশেষ আগ্রহ ও দক্ষতা রয়েছে।


তাঁর শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় কাটে সিলেট ক্যাডেট কলেজে। পরবর্তীতে তিনি পাবনা মেডিকেল কলেজ থেকে ২০১৭ সালে এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মেডিকেল অফিসার হিসেবে সরকারি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।


চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি Royal College of Physicians থেকে MRCP এবং Bangladesh College of Physicians থেকে FCPS ডিগ্রি অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণরত রয়েছেন।


কার্ডিওলজির প্রতি বিশেষ আগ্রহ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি ঢাকার National Institute of Cardiovascular Diseases (NICVD)-এ কার্ডিওলজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। সেখানে D-Card (কার্ডিওলজি) পরীক্ষায় সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।


ডা. আমিনুল ইসলাম সবুজের এই অর্জনে তাঁর পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। বাসাইলের সন্তান হিসেবে তাঁর এই সাফল্য স্থানীয় মানুষের জন্যও গর্বের বিষয়।


তাঁর এই সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। ডা. আমিনুল ইসলাম সবুজের জন্য রইল প্রাণঢালা অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। তাঁর চিকিৎসাসেবা ও কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।


বাসাইল তিন রাস্তার মোড়ে পরিচয়হীন শিশুকন্যা উদ্ধার, পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

বাসাইল তিন রাস্তার মোড়ে পরিচয়হীন শিশুকন্যা উদ্ধার, পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

  



নিজস্ব প্রতিবেদক


টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার তিন রাস্তার মোড় এলাকা থেকে এক পরিচয়হীন শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটিকে বাসাইল তিন রাস্তার মোড় এলাকায় পাওয়া যায়।


জানা গেছে, শিশুটি তার পরিচয় ও ঠিকানা সম্পর্কে একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছে। এ কারণে এখনো তার প্রকৃত পরিচয় ও পরিবারের সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।


শিশুটিকে কেউ চিনে থাকলে অথবা তার পরিবার ও স্বজনদের সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে বাসাইল থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


শিশুটির পরিবারের সন্ধান পেতে স্থানীয় বাসিন্দাসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেছে পুলিশ।


📞 যোগাযোগ: ০১৩২০০৯৬৪৯৫


শিশুটির পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে নিউজটি বেশি বেশি শেয়ার করার অনুরোধ রইল।


Thursday, September 3, 2026

বাসাইলে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বাসাইলে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

 



নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কেজি অবৈধ গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বাসাইল থানা পুলিশ।

বুধবার ( সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে বাসাইল উপজেলার কাউলজানি ইউনিয়নের মান্দারজানি গ্রামের জনৈক আলামিনের বসতবাড়ির পূর্ব পাশে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার অললী গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ওয়াসিম (২৮) এবং গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার কাজিমুদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল (২৬)

পুলিশ জানায়, অভিযানে মোহাম্মদ ওয়াসিমের কাছ থেকে কেজি এবং মো. রুবেলের কাছ থেকে কেজিসহ মোট কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।


ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় মামলা নম্বর-০৫, তারিখ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-এর ৩৬() ধারার ১৯() অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাসাইল থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


বাসাইল নতুন সংবাদ 

সেপ্টেম্বর ২০২৬

সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন।

Wednesday, September 2, 2026

বাসাইলে ৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বাসাইলে ৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

 








নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


টাঙ্গাইলের বাসাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বাসাইল থানা পুলিশ।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসাইল থানার একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ময়থা গাছপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জনৈক আলমের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. রাসেল মিয়া (৪১), পিতা মো. বাবলু মিয়া, সাং- গোলড়া মধ্যপাড়া, থানা- কালিহাতী এবং মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন ওরফে মোজা (৩৫), পিতা আব্দুল জলিল, সাং- তিরঞ্জ, থানা- বাসাইল। তাদের উভয়ের জেলা টাঙ্গাইল।


পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৪২ পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।


এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার ১০(ক) উপধারা অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।


বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে বাসাইল থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




Tuesday, September 1, 2026

বাসাইলে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার; অপহরণের মূল হোতা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমন গ্রেফতার

বাসাইলে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার; অপহরণের মূল হোতা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমন গ্রেফতার

 



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

টাঙ্গাইলের বাসাইলে আলোচিত অপহরণের ২৭দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণের মূল হোতা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমন মিয়া (২৩) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ( সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইমনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে কসাইবাড়ি এলাকায় একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ইমনকে গ্রেফতার করে। 

 গ্রেফতারকৃত ইমন মিয়া বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া মধ্যপাড়া এলাকার ইদ্রিস আলী মিয়ার ছেলে। ঘটনায় মামলার আসামি ইমনের বাবা ইদ্রিস আলী মিয়া, মা নাজমা বেগম বড় বোন ছাবিনা আক্তার পলাতক রয়েছে। অপহরণের শিকার ওই ছাত্রী বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণির শিক্ষার্থী।

 মামলা ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইমন ওই ছাত্রীকে উক্ত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি ইমনের পরিবারকে জানানো হয়  জানানোর পরও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এক পর্যায়ে গত আগস্ট বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বাসাইল সাহাপাড়া ব্রিজের কাছে পৌছালে মামলার আসামি ইদ্রিস আলী, নাজমা বেগম ছাবিনা আক্তারের সহযোগিতায় ইমন ওই ছাত্রীকে অজ্ঞাত একটি গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে অপহরণ করে।

ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বাসাইল থানা পুলিশকে জানানো হয়। এরপর থেকে পুলিশ ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের তৎপরতা চালায়। এরপর ১০ আগস্ট ইমন মিয়াকে প্রধান আসামি করে জনের নাম উল্লেখ অজ্ঞাত আরও একজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। 

মামলার পর পুলিশ ্যাব ওই ছাত্রীকে উদ্ধার আসামিদের গ্রেফতারের জন্য জোরেসুড়ে মাঠে নামে। এক পর্যায়ে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার প্রধান আসামি ইমনকে গ্রেফতার করে।

 স্থানীয়দের অভিযোগ- ইমন একজন কিশোরগ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীসহ পর্যটন এলাকা বাসুলিয়ায় নারীদের উক্ত্যক্ত থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় মারামারির সঙ্গে জড়িতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সে মাদকাসক্ত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

 বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘অপহৃত স্কুলছাত্রীকে ঢাকার দক্ষিণখান থানা পুলিশ উদ্ধার মামলার প্রধান আসামি ইমনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ বাসাইল থানায় হস্তান্তর করে।

মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতারকৃত ইমনকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর ওই ছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষা জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাসাইলে মজলুমের কণ্ঠ পত্রিকার ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাসাইলে মজলুমের কণ্ঠ পত্রিকার ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

 



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শে প্রতিষ্ঠিত, স্বনামধন্য বহুল প্রচারিত পাঠকপ্রিয় জাতীয় দৈনিকমজলুমের কণ্ঠপত্রিকার ৩১ বছর পূর্তি ৩২তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার ( সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাসাইল প্রেসক্লাবে দৈনিক মজলুমের কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

 

বাসাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি পত্রিকাটির উপজেলা প্রতিনিধি মো. রুবেল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাসাইল প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।

 

সময় আরও বক্তব্য দেন কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ খান মামুন, বাসাইল পৌরসভার নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বাবুল আহমেদ এবং বাসাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা।

 

অনুষ্ঠানে বাসাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জনি, দপ্তর সম্পাদক মো. নাসির মিয়া, সাহিত্য সম্পাদক মো. মিনহাজ উদ্দিন সুমন, কার্যকরী সদস্য আখতারুজ্জামান রিপন, শরিফুল ইসলাম মিয়া, সহদেব সূত্রধরসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভা শেষেমজলুমের কণ্ঠপত্রিকার ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ৩২তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে অতিথিরা কেক কাটেন। সময় পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

Sunday, August 30, 2026

বাসাইলে মাদকবিরোধী র‍্যালি-সমাবেশ, অংশ নিলেন ৩ শতাধিক মানুষ মাদকের কুফল তুলে ধরে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান

বাসাইলে মাদকবিরোধী র‍্যালি-সমাবেশ, অংশ নিলেন ৩ শতাধিক মানুষ মাদকের কুফল তুলে ধরে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান

 



 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে টাঙ্গাইলের বাসাইলে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র-যুবসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ জন মানুষ অংশ নেন।

 

রোববার (৩০ আগস্ট) বাসাইল থানাধীন ২ নং কাউলজানী ইউনিয়নে এ মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে মাদকের বিভিন্ন কুফল ও ভয়াবহ পরিণতি তুলে ধরে মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে। তাই মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।

 

সমাবেশ শেষে কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকায় একটি মাদকবিরোধী র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান জানান।

 

মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির, বিট অফিসার এসআই নুরুল ইসলাম, সহকারী বিট অফিসার এএসআই মকবুল হোসেনসহ কাউলজানী ইউনিয়নের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র-যুবসমাজ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

আয়োজকরা জানান, মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বাসাইলে স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

বাসাইলে স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

 



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

টাঙ্গাইলের বাসাইলে স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও স্পর্শের চেষ্টা করার অভিযোগে নিহাদ (২১) নামে এক যুবককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বাসাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নিহাদ বাসাইল পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়া এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রী বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে স্থানীয় সালাউদ্দিনের মুদি দোকান অতিক্রম করার পর বিপরীত দিক থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে নিহাদ ওই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করেন এবং তাদের স্পর্শের চেষ্টা করেন।

এ সময় অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহাদকে আটক করে। পরে বাসাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিহাদ ঘটনার কথা স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। দণ্ডাদেশের পর তাকে পুলিশি হেফাজতে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ বলেন, “নারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

দুইটি কিডনি বিকল, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নাইমুল ইসলাম! টাকার অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা

দুইটি কিডনি বিকল, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নাইমুল ইসলাম! টাকার অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা

 



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জীবন যেন নিভু নিভু জ্বলছে। এই বয়সে যেখানে বই হাতে পড়ার টেবিলে থাকার কথা ছিল। সে যেন মৃত্যুর প্রহর গুণছে। দুইটি কিডনি বিকল হওয়ায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। অসহায় পরিবারে জন্ম নেওয়া নাইমুল ইসলাম যেন এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হত-দরিদ্র মা-বাবা টাকার অভাবে চিকিৎসাও করতে পারছে না তার। ভিটে-বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেয় পরিবারের। কি করে চিকিৎসা করবে তাকে? বলছিলাম টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের বিলপাড়া(উত্তরপাড়া) গ্রামের নাইমুল ইসলামের কথা।

নাইমুল ইসলাম (১৮) ওই গ্রামের আলী আজম মিয়ার ছোট ছেলে। নাইমুল ইসলাম কাঞ্চনপুর এলাহিয়া বিএ ফাজিল মাদ্রাসার একাদশ শ্রেনির শিক্ষার্থী ছিল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ নাইমুল ইসলাম চেয়ারে বসে আছে। চোখের কোণে জমে আছে জল। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর শুয়ে পড়ে সে। একটানা বসে শুয়ে থাকতে কষ্ট হয়। বাড়িতে একটি ঘর আছে, সেখানেই তাদের বসবাস। বাড়ির ৬শতাংশ জমি ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই।

জানা যায়, উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের বিলপাড়া গ্রামের নাইমুল ইসলামের দুটি কিডনি বিকল  নাইমুল ইসলাম কাঞ্চনপুর এলাহিয়া বিএ ফাজিল মাদ্রাসার একাদশ শ্রেনির শিক্ষার্থী ছিল। সে অসুস্থতার কারণে একদিন ক্লাস করতে পারেনি।


এবছর রমজান শেষ দিকে নাইমুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়ে। হাত-পা ফুলে যায়, হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা করালে দুটি কিডনি বিকল বলে চিকিৎসক।  কয়েকবার তাকে চিকিৎসা করা হয়েছে।টাকার অভাবে থেমে আছে তার চিকিৎসাসেবা। প্রতি সপ্তাহে একবার করে ডায়ালাইসিস করতে হয়৷ প্রতি সপ্তাহে লাগে রক্ত।

নেগেটিভ রক্ত পেতে তাদের কষ্ট হয়। এক সপ্তাহে রক্ত না পেলেই  নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় তার। টাকার অভাবে অসহায় মা-বাবাও পারছে না তার চিকিৎসা করার জন্য। প্রতি সপ্তাহে যে টাকা খরচ হচ্ছে সে টাকা জোগাড় করতে পারছে না পরিবার।

অসহায় পরিবার, বাড়ির শতাংশ জমি ছাড়া কিছুই নেয়। কেউ যদি তাদের সাহায্য করে তাহলে তার ওষুধ চিকিৎসা করতে পারে। তার চিকিৎসার জন্য বিত্তবান সরকারী সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয়রা।

অসুস্থ নাইমুল ইসলাম বলেন, নিজের অজান্তে কখন যে শরীরে রোগ বাসা বেঁধেছে, নিজেও বুঝতে পারিনি। মাস আগে হঠাৎ করে হাত-পা ফুলে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার দুইটি কিডনি বিকলের কথা বলে৷ একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি হয়ে ছিলাম। 

একদিনও ক্লাস করতে পারিনি। প্রতি সপ্তাহে ডায়ালাইসিস রক্ত নিতে হয়। রক্ত না দিলেই নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নেমে আসে তখন মনে হয় নিঃশ্বাসটা যেন বন্ধ হয়ে আসছে।

নাইমুল ইসলামের মা মুন্নি বেগম বলেন, আমরা খুবই অসহায় মানুষ, টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা করতে পারছি না। ৭মাস আগে ছেলের কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে। ডাক্তার বলে দুইটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। নিজেদের কাছে যা ছিল তা দিয়ে ছেলেকে চিকিৎসা করেছি।

এছাড়াও মানুষের কাছে থেকে টাকা চেয়ে কয়েকবার ছেলেকে ডাক্তার দেখাইছি। আমরা অসহায় মানুষ আমাদের কিছুই নাই। বিত্তবান সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে আমার ছেলের চিকিৎসা করতে পারব। প্রতি সপ্তাহে ডায়ালাইসিস করতে হয়। 

যখন ছেলের পেট ব্যথা শুরু হয়, তখন ছেলে আমার মা বলে চিৎকার করে। নাইমুল ইসলামের বাবা আলী আজম মিয়া বলেন, টাকার অভাবে ছেলের ঠিক মতো চিকিৎসা করতে পারছি না। ছেলেটা এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেকখনো ভাবিনি। আমার ৬শতাংশ বাড়ির জমি ছাড়া আর কিছুই নাই। নিজের যা ছিল সব ছেলের অসুস্থতার জন্য খরচ করেছি। ছেলের দুইটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। ছেলে আমার জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।


তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে - হাজার টাকা লাগে। এই টাকা আমি কোথায় পাই। প্রতি সপ্তাহে ডায়ালাইসিস করতে হয়। শরীরে দিতে হয় রক্ত। রক্ত পেতেও সমস্যা হয়। ছেলের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। আমার সংসার কোন রকম চলছে। নিজে একটি গাভি আছে সেই গাভির দুধ বিক্রি করে আমার সংসার কোন রকম চলছে। আমি আমার ছেলের জন্য সহযোগিতা চাই।


স্থানীয় বাসিন্দা সামছুল আলম বলেন, মাস ধরে নাইমুল খুবই অসুস্থ। দুইটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। অসহায় একটি পরিবার, বাড়ি ছাড়া আর কিছু নাই। কয়েকবার চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়েছে। আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় নাইমুলের ঠিক মতো চিকিৎসা করতে পারছে না। বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে তার চিকিৎসা করা সম্ভব। এছাড়াও সরকার যেন তাকে সহযোগিতা করে এই আবেদন করি।


স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়া নাইমুল ইসলামের ঠিক মতো চিকিৎসা করতে পারছে না। তারা একদম অসহায় একটি পরিবার। ছেলেটি মাস যাবত অসুস্থ, টাকার অভাবে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। গ্রামবাসী যে সাহায্যে করছে সেই সাহায্যে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা চাই বিত্তবান ব্যক্তিরা যেন তার পাশে দাঁড়ায়। 


বাসাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুল ইসলাম বলেন, শুনতে পেয়েছি নাইমুল ইসলামের দুটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আমাদের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ক্যান্সার, কিডনি, স্ট্রোকে প্যারালাইসিস, হৃদরোগ থ্যালাসেমিয়া এরকম রোগের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। এই খাতে এক লাখ টাকা সহযোগিতা দেয়ার একটি ঘোষণা ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এই সহযোগিতাটি রোগীর পরিবার বা আত্মীয়-স্বজন যদি আমাদের কাছে আসে তাহলে আমরা সহযোগিতা করতে পারব।