Saturday, August 1, 2026

বারবার জেলে নিলেও আমাদের দমানো যাবে না বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম

 



নিজস্ব প্রতিবেদক


সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বারবার কারাগারে পাঠালেও তাঁদের দমানো যাবে না।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে গণতন্ত্রী পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত খন্দকার নুরুর রহমান সেলিমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে কথিত ‘হত্যাকাণ্ডের’ অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কাদের সিদ্দিকীর ভাই, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


এ প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটি গ্রামে এখন একটাই আলোচনা লতিফ সিদ্দিকীর জামিন।


 তিনি বলেন, অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, দাদাকে এভাবে কারাগারে নেওয়া হলো, আমাদের কি কিছুই করার নেই? আমি বলেছি, অবশ্যই করার আছে। কিন্তু দেশকে অশান্ত করে আমরা কিছু করতে চাই না। দেখি কী হয়। বারবার জেলে নিলেও আমাদের দমানো যাবে না।



তিনি দাবি করেন, হেফাজতে ইসলামের ঘটনায় করা মামলাটি ‘ষড়যন্ত্রমূলক’। তাঁর ভাষায়, এর উদ্দেশ্য সরকারকে নাস্তানাবুদ করা এবং আমাদের সরকারবিরোধী করে তোলা।



তবে ভাইয়ের মামলার বিষয়ে সরকারকেও সতর্ক করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি আদালতে যাব। এর মধ্যে যদি বুঝি এটি সরকার করেছে, তাহলে সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করব। আর যদি এটি ষড়যন্ত্র হয়, তাহলে সরকারের মধ্যে যে সরকার আছে, তার মোকাবিলা করতে হবে।



স্মরণসভায় তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল সাধারণ মানুষের আন্দোলন।


 এটি কয়েকজনকে আঙুল ফুলে কলাগাছ করার আন্দোলন ছিল না।

অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, শেখ হাসিনার আমলে দেশ যতটা না পিছিয়েছে, তার চেয়ে এক হাজার গুণ বেশি পিছিয়েছে অধ্যাপক ইউনুসের আমলে।



বিঃদ্রঃ উপরের প্রতিবেদনটি আপনার দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে ভাষাগত ও বানানগতভাবে সম্পাদনা করা হয়েছে। এতে উল্লিখিত অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য ও মতামত সংশ্লিষ্ট বক্তার বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; এগুলো স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।


শেয়ার করুন